Posts

আছিয়াকে দুইজন নয় এক্স তিনজন মিলে ধর্ষণ করে।

Image
  আছিয়াকে কতটা নির্মমভাবে ধ*র্ষণ করা হযেছিল আজকে সেটার বর্ণনা দিয়েছে ডাক্তাররা। চিকিৎসারত ডাক্তার বলেছে - আছিয়া যেহেতু বাচ্চা মেয়ে তাই তার পোপনাঙ্গের ডেপথ খুবই ছোট।  সেজন্যে ধ*র্ষককরা কিছুটা ধারালো ব্লেড/ কাঠি দিয়ে গোপনাঙ্গে ছিদ্র করার চেষ্টা করেছিল। সে ছিদ্রটা ছিল আনুমানিক ৫ সে.মি. গভীর।  তারপর গোপনাঙ্গের একদম ভিতরের দিকে অনেকগুলো স্ক্রেচ করা হয় এবং সেটা করা হয় একদম সূক্ষ্মভাবে, অনেকটা সময় নিয়ে। একাজ করার সময় তার নাক-মুখ চেপে ধরা হয়েছিল যাতে কোনরকম চিৎকার করতে না পারে। তারপর মানুষ চলে আসার আওয়াজ পেয়ে আরেকজন গলা চেপে ধরেছিল মেরে ফেলার জন্যে।  আর এজন্যেই অক্সিজেনের অভাবে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মেয়েটা। মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল তখন। এ নির্মম বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল ডাক্তারের। তিনি বলছিলেন - 'এরকম কন্ডিশনে ভিক্টিম স্পটেই মারা যায়। এ মেয়েটা যে এখনও বেঁচে তাতেই অবাক হচ্ছি আমি।' তাহলে এবার বুঝুন কতটা অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল বাচ্চা মেয়েটাকে ~ Ibrahim Khalil Shawon

মাগুরার শিশুটির বোনের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে, কী হয়েছিলো তার সাথে 🤔

Image
  মাগুরার শিশুটির বোনের জবানবন্দি শুনলাম। বুকটা ফেটে যাচ্ছে, মাথার ভেতর ঝড় উঠছে। ইচ্ছে করছে মাগুরার থানায় গিয়ে পুরো পরিবারটাকে তাদের প্রাপ্য সাজা দিয়ে আসি! শিশুটির বোন যা বললো— "আমার স্বামী ও তার ভাই আগেও বিয়ে করেছিল। তাদের দুজনের স্ত্রী একসাথে বাসা ছেড়ে চলে যায়। একজন না হয় যেতে পারে, কিন্তু দুজনই কেন? নিশ্চয়ই আমার শ্বশুর তাদের সাথেও এমন কিছু করেছে। আমার শ্বশুর বিভিন্ন সময়ে আমাকে জড়িয়ে ধরতো। যখন স্বামীকে জানালাম, সে উল্টো আমাকে মারধর করলো। মাকে জানালাম, মা বিশ্বাস করলেন, কিন্তু সংসার ভাঙবে বলে আমাকে আবার সেই বাসায় পাঠিয়ে দিলেন। যাদের কাছেই বলেছি, কেউ বিশ্বাস করেনি। হয়তো কোনো এক রাতে আমার কপালেও আমার বোনের মতোই এমন কিছু ঘটতো… পুরো পরিবার আমার শ্বশুরের এই চরিত্রের কথা জানে, তবু সবাই মিলে ধামাচাপা দিতে সাহায্য করতো। রাতের খাবার খেয়ে আমি, বোন ও আমার স্বামী ঘুমিয়ে পড়ি। আমার স্বামী নাকি দরজা খুলে দেয় এবং বাইরে তুলে নিয়ে এই কাজ ঘটেছে। ঘরের ভেতর ঘটলে তো আমি একটু হলেও টের পেতাম।  আমার ছোট বোন বলেছে - আমার স্বামী ও শাশুড়ি দুজনেই দেখেছেন, আমার শ্বশুর কীভাবে আমার ছোট বোনের ওপর নির্মম অত্য...

বুকভরা অভিমান আর কষ্ট নিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করতে করতে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনে নিষ্ঠুর এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলো মাগুরার ছোট বাচ্চা মেয়েটি😭😭

Image
 শোক সংবাদ😭 বুকভরা অভিমান আর কষ্ট নিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করতে করতে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনে নিষ্ঠুর এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলো মাগুরার ছোট বাচ্চা মেয়েটি😭😭 বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল বাচ্চা মেয়েটা। ফিরতে রাত হয়ে যাবে বিধায় বড় বোন বলেছিল এর পরদিন বাড়িতে যেতে। বড় বোন কিছুক্ষণের জন্যে বাইরে গিয়েছিল।  মেয়েটা বোনের রুমে গুটিসুটি হয়ে শুয়ে ছিল এককোনায়। দুলাভাইও ছিল রুমে। বড়বোন ভেবেছিল তার হাসবেন্ড যেহেতু আছে তাহলে আর কোন সমস্যা হবে না। তারপর দুপুরের দিকে বড় বোন বাসায় এসে দেখে রুমে লাইট নিভানো, ঘুটঘুটে অন্ধকার। তড়িঘরি করে লাইট জ্বালিয়ে দেখে তার আদরের ছোট বোনটা এলোমেলোভাবে পড়ে আছে, চেহারাটা ফ্যাকাশে।  বড় বোন বুঝতে পারেনা কি হয়েছে তার আদরের বোনটার সাথে। অনেকক্ষণ পর যখন বুঝতে পারে তখন অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে।  বড় বোন শাশুড়িকে হাতজোড় করে তার বোনটাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যে। কিন্তু শাশুড়ি নিষেধ করছিল ঘটনাটা যাতে জানাজানি না হয়,হলে না-কি মানসম্মানে কমতি পড়বে তাদের।  তারপর বহু কষ্টে শাশুড়িকে রাজি করিয়ে বড় বোন তার ছোট বোনটাকে নিয়ে আসে মাগুড়া হাসপাতালে। কোন...

বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে বোনের শশুরের হাতে ধর্ষনের শিকার শিশু

Image
 বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল বাচ্চা মেয়েটা। ফিরতে রাত হয়ে যাবে বিধায় বড় বোন বলেছিল এর পরদিন বাড়িতে যেতে। বড় বোন কিছুক্ষণের জন্যে বাইরে গিয়েছিল।  মেয়েটা বোনের রুমে গুটিসুটি হয়ে শুয়ে ছিল এককোনায়। দুলাভাইও ছিল রুমে। বড়বোন ভেবেছিল তার হাসবেন্ড যেহেতু আছে তাহলে আর কোন সমস্যা হবে না। তারপর দুপুরের দিকে বড় বোন বাসায় এসে দেখে রুমে লাইট নিভানো, ঘুটঘুটে অন্ধকার। তড়িঘরি করে লাইট জ্বালিয়ে দেখে তার আদরের ছোট বোনটা এলোমেলোভাবে পড়ে আছে, চেহারাটা ফ্যাকাশে।  বড় বোন বুঝতে পারেনা কি হয়েছে তার আদরের বোনটার সাথে। অনেকক্ষণ পর যখন বুঝতে পারে তখন অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে।  বড় বোন শাশুড়িকে হাতজোড় করে তার বোনটাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যে। কিন্তু শাশুড়ি নিষেধ করছিল ঘটনাটা যাতে জানাজানি না হয়,হলে না-কি মানসম্মানে কমতি পড়বে তাদের।  তারপর বহু কষ্টে শাশুড়িকে রাজি করিয়ে বড় বোন তার ছোট বোনটাকে নিয়ে আসে মাগুড়া হাসপাতালে। কোনরকম দায়সারা ভাবে হাসপাতালে দিয়েই শাশুড়ি পালিয়ে যায় সেখান থেকে। হাসপাতালে আনার পর বাচ্চা মেয়েটার অবস্থা আরও বেশি গুরুতর হয়ে পড়ে। ব্যথায় কাতরাচ্ছিল শুধু। বাচ্চা মেয়ে বয়স আ...

চকলেট কিনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তিন বছরের শিশু, তরুণ গ্রেপ্তার

Image
 মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চকলেট কিনতে গিয়ে ৩ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিশুটিকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৩ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ওই দিনই শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এতে অভিযুক্ত রেদওয়ান ইসলাম আরিফ নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রেদওয়ান পৌরসভার গাজীটেকা-আইলাপুর এলাকার বাসিন্দা। মামলা সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখা পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকা শিশুটি সোমবার সকালে চকলেট খাওয়ার জন্য বায়না ধরে। শিশুটির মা তাকে ৩০ টাকা দিয়ে দোকানে চকলেট কেনার জন্য পাঠান। কিন্তু শিশুটি বাসায় ফিরতে দেরি করায় মা গিয়ে দেখেন, দোকানমালিক রেদওয়ান ওই শিশুটিকে নির্যাতন করছেন। এ সময় তিনি চিৎকার দিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে পরে তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম সরকার বলেন, এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁ...

ছোট খাটো একটা চাকরি করি। গত মাসে বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি, প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে। আজ ইফতারি দিয়েছি জামাইয়ের বাড়িতে, প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ করে। একটু আগে মেয়ের ফোন,,,,,,,,,,

Image
 ছোট খাটো একটা চাকরি করি। গত মাসে বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি, প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে। আজ ইফতারি দিয়েছি জামাইয়ের বাড়িতে, প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ করে। একটু আগে মেয়ের ফোন, - বাবা, কেমন আছেন? - হ্যাঁ, মা ভালো। তুই ভালো আছিস ত? - আছি বাবা ভালো। - এইভাবে বলছিস কেনো? তোর শ্বশুররা খুশি হয়েছে তো? - ওরা কিছু বলেনি। ফুফু (জামাইয়ের ফুফু) বলেছে ইফতারি একটু কম হয়েছে। - (তখন আমার চোখের পানি টলটল করছিল) আচ্ছা মা বলিস, পরের বার থেকে আরো বাড়িয়ে দিবো। - বাবা শুনো। তুমি আমাদের বাড়িতে ঈদে কাপড় দিবে না? - হ্যাঁ মা, দিবো। কেনো? - তুমি কাপড় দিওনা। খালা (জামাইয়ের খালা) বলেছে, কাপড় দিলে সবার পছন্দ হবে না। কাপড় না দিয়ে টাকা দিয়ে দিতে। ৩০,০০০৳ টাকা দিলে, সবার নাকি হয়ে যাবে। - আচ্ছা মা। তুই চিন্তা করিস না। আমি এখনও বেঁচে আছি। (আমার বুঝতে দেরী হলো না, এতক্ষণে মেয়ের চোখের অনেক জল গড়িয়ে পড়েছে।) - আচ্ছা বাবা, এখন রাখি। - আচ্ছা মা, ভালো থাকিস। রাতে ছোট ছেলে নামাজ থেকে আসলো। - বাবা, তুমি আছো? - হ্যাঁ, আছি। কিছু বলবি? হ্যাঁ, ঈদের পর ২য় সপ্তাহে সেমিস্টার ফাইনাল। বেতন, ফর্ম ফিলাপ ও অন্যান্য সহ ২৫ হাজার টাকা লাগবে। আমার ট...

মালয়েশিয়া সকল এরিয়ার সেহেরি ও ইফতারের সময়

Image